মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলার ঐতিহ্য

         

          কসবা ফরাসী শব্দ । কসবা শব্দটির অর্থ উপশহর বা জনপদ। ভারতবর্ষে মুসলমান শাসনামলে ১৩৩৮ খিস্ট্রাব্দে আলাউদ্দিন হোসেন শাহ রেল স্টেশনের পশ্চিম পাশে কৈলাঘর নামে একটি দূর্গ নির্মাণ করেছিলেন। ঐ দূর্গের আশে পাশে প্রথম দিকে জনবসতি এবং পরবর্তীতে আস্তে আস্তে ছোট শহর কসবা গড়ে ওঠে।  সেজন্য কৈলাগড় থেকে কসবার উৎপত্তি। রেল স্টেশনের পশ্চিম পাশে কৈলাগড় দূর্গের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।

 

                 ক) কোল্লাপাথর শহীদ সমাধিস্থলঃ কসবা উপজেলার দক্ষিণে ১০কিঃমিঃ দুরে ভারতীয় সীমান্তের সন্নিকটে বায়েক ইউনিয়নের কোলস্নাপাথর গ্রামে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সীমান্ত এলাকায় যুদ্ধে শাহাদাৎ বরণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লাশ সংগ্রহ করে স্থানীয় জনসাধারণের উদ্যোগে স্থানীয় অধিবাসী আঃ মান্নান সাহেবের নিজস্ব  মালিকাধীন পাহাড়ের চূড়ায়  ৫১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সমাহিত করা হয়। সমাধিস্থলকে ঘিরে একটি পর্যটন স্পট গড়ে উঠেছে। জেলা পরিষদ কর্তৃক সমাধিস্থলের পার্শ্বে পর্যটকদের জন্য অত্যাধুনিক ডাকবাংলো ও মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মান কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে।

 

                খ) লক্ষীপুর শহীদ সমাধিস্থলঃ কসবা উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৩কিঃমিঃ উত্তর পূর্বে গোপীনাথপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে ভারতীয় সীমান্তবর্তী পাহাড়ের চূড়ায় ১২জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সমাহিত করা হয়। সমাধি স্থলকে কেন্দ্র করে পর্যটন স্পট গড়ে উঠছে।

 

                দুটি সমাধিস্থলই ভারতীয় সীমান্তবর্তী জিরো পয়েন্টে লাগোয়া পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত । পাহাড়ী টিলার সবুজ বনানী, সন্নিকটে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ, সবুজ গাছপালায় ঢাকা সমাধিস্থল দুটির  সৌন্দর্য পর্যটকদের হৃদয় ছুয়ে যায়।

 

                গ) কল্যাণ সাগর দিঘী:কসবা উপজেলা সদরে ডাকবাংলো সংলগ্ন প্রায় ২২ একর আয়তনে কল্যাণ সাগর দিঘী। দিঘীর চার পার্শ্বে পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ঐতিহ্যবাহী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ।